আমার বন্ধু ডাঃ এনাম ট্রেনিং এ ফ্রান্সে গেছে । ভাইবারে সে বলল, ফ্রান্সের সব কাজে ডিজিটাল সিস্টেম ব্যবহৃত হয় । সেখানে ট্রেনিং সেন্টারে প্রবেশ করতে লাগে সুপারভাইজারের আঙুলের ছাপ এবং অপারেশন থিয়েটারে প্রবেশ করতে লাগে চোখ । আমি বললাম “বেশ মজাই তো ” সে আরো বলল “গতকাল স্থানীয় বিনোদন পার্কে গিয়ে মাথার হেলমেট ও চোখে বিশেষ চশমা দিয়ে চাঁদে ভ্রমণের অনুভূতি অনুভব করেছি ”।
ক. ক্রায়োসার্জারি কী? ……………………………………………………………………………….১
খ. “স্বল্প দূরত্বের ডাটা আদান-প্রদান মাধ্যম ” ব্যাখ্যা কর। …………………………………………..২
গ. উদ্দীপকে আলোকে চাঁদে ভ্রমণের প্রযুক্তিটির বর্ণনা কর। ……………………………………….৩
ঘ. উদ্দীপকে ট্রেনিং সেন্টার ও অপারেশন থিয়েটারে ব্যবহৃত প্রযুক্তিদ্বয়ের মধ্যে কোনটি আমাদের দেশে বহূলব্যবহৃত- বিশ্লেষনপূর্বক মতামত দাও। …………………...…………………..………….৪
উত্তর
ক.ক্রায়োসার্জারি: ক্রায়োসার্জারি হলো এমন একটি চিকিৎসা প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে অত্যন্ত নিম্ন তাপমাত্রায় শরীরের অস্বাভাবিক বা রোগাক্রান্ত কোষগুলোকে ধ্বংস করা হয়।
খ. স্বল্প দূরত্বের ডাটা আদান-প্রদানের মাধ্যম হলো ব্লটুথ। ব্লটুথ হলো স্বল্প দূরত্বে ডেটা আদান -প্রদানের এমন একটি মাধ্যম যার মাধ্যমে বিনা খরচে এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে ডেটা আদান-প্রদান করা হয়। এটি একটি তার বিহীন পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WPAN )।
গ. উদ্দীপকে আলোকে চাঁদে ভ্রমণের প্রযুক্তিটি হলো ভার্চুয়াল রিয়েলিটি। প্রকৃত অর্থে বাস্তব নয় কিন্তু বাস্তবের মতো চেতনা উদ্রেককারী বিজ্ঞাননির্ভর কল্পনাকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বলে। অন্যভাবে বলা যায় ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ যেখানে ব্যাবহারকারী ঐ পরিবেশ এ মগ্ন হতে, বাস্তবের অনুকরণে সৃষ্ট দৃশ্য উপভোগ করতে, সেই সাথে বাস্তবের ন্যায় শ্রবনাভূতি এবং দৈহিক ও মানসিক ভাবাবেগ , উত্তেজনা অনুভূতি প্রভূতির অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারে। ভার্চুয়াল রিয়েলিটি আমাদের ব্যাক্তিগত, শিক্ষা, বিনোদনে নানা প্রয়োজনে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। ভার্চুয়াল রিয়েলিটি এর মাধ্যমে শিশু শিক্ষায় , চিকিৎসা ও ডাক্তারদের প্রশিক্ষণ, কার ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ, বিমান চালনার প্রশিক্ষণ, সেনাবাহিনী যুদ্ধ প্রশিক্ষণ, ব্যাবসা বাণিজ্যে, গেমস তৈরি তে ও অনন্য গুরুত্বপূর্ণ কাজে ব্যবহার করা হয়।
ঘ. উদ্দীপকে ট্রেনিং সেন্টারে ব্যবহৃত প্রযুক্তি হলো বায়োমেট্রিক্স এর ফিঙ্গারপ্রিন্ট প্রযুক্তি আর অপারেশন থিয়েটারে ব্যবহৃত প্রযুক্তি হলো বায়োমেট্রিক্স এর আইরিশ এবং রেটিনা রিকগনিশন প্রযুক্তি। উপরোক্ত দুটি প্রযুক্তির মধ্যে আমাদের দেশে ফিঙ্গারপ্রিন্ট প্রযুক্তিটি বহূলব্যবহৃত ও জনপ্রিয় মাধ্যম । ফিঙ্গার প্রিন্ট কে কেউ সহজে নকল বা ডুপ্লিকেট করতে পারে না। আবার এটি তুলনামূলক কম দামী, নিরাপত্তা ব্যবস্থা সৃষ্টি এবং প্রচুর ডেটা জমা রাখতে পারে। তাই আজকাল বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মী ও অন্যান্যদের প্রবেশ ও বের হতে ফিঙ্গারপ্রিন্ট রিডার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। আর অন্য দিকে আইরিশ এবং রেটিনা রিকগনিশন অত্যন্ত ব্যয়বহুল প্রযুক্তি। আর এতে প্রচুর মেমোরি প্রয়োজন হয় ও এটা চোখের জন্য কিছুটা ক্ষতি কর। তাই আমি বলবো উদ্দীপকে ট্রেনিং সেন্টারে ব্যবহৃত ফিঙ্গারপ্রিন্ট প্রযুক্তি আর অপারেশন থিয়েটারে ব্যবহৃত আইরিশ এবং রেটিনা রিকগনিশন প্রযুক্তির মধ্যে আমাদের দেশে বায়োমেট্রিক্স এর ফিঙ্গারপ্রিন্ট প্রযুক্তিটি বেশি ব্যবহৃত হয়।
Blog or website :https://programmingclubnews.blogspot.com/
Facebook page: https://www.facebook.com/ictsolutionixxii/
Youtube channel: https://www.youtube.com/channel/UC-zV1CzAOXEmepoGl2Sf1RQ
Contact: 01922351550
Please share and subscribe my youtube channel
x